ডায়রিয়া সমস্যা নিয়ে মেয়েটি ভর্তি হইছে মাদারীপুর সরকারী হাসপাতালে। সাথে আছে স্বামী। উনি অ্যাম্বুলেন্স চালায়।ওয়ার্ডে ভর্তি না হয়ে উনারা কেবিন নিয়েছে।
কিন্তু রাতে বেলায় নার্সদের বিষয়টা সন্দেহজনক লাগলে আনসার কে জানানো হয়, আনসার পুলিশ কে ইনফর্ম করলে ২ জনকেই গ্রেফতার করা হয়। কেনো গ্রেফতার করা হলো??
এইখানেই মেইন টুইস্ট।
উনারা স্বামী-স্ত্রী না। বয়ফ্রেন্ডে গার্লফ্রেন্ড। রোগীর ডায়রিয়া ও হয় নাই। আসল উদ্দেশ্য অশ্লীল কাজ করা। তাই হাসপাতালে মিথ্যা রোগী সেজে কেবিন নিছে।
কারণ কেবিনের ভাড়া মাত্র ৫০০ টাকা মতো। পুরোপুরি নিরাপদ। বাইরে হোটেলে গেলে তো ভাড়া ২০০০-১০০০০ টাকা। তাছাড়া পুলিশ রেইড দিয়ে গ্রেফতার করে। এই ঝুঁকি এড়াতে হাসপাতালের কেবিন ভাড়া নিয়ে অশ্লীল কাজ করতে আসছিলো। কি বুদ্ধি বাপরে বাপ🙂
বাংলাদেশে না জন্মাইলে যে কতো রকম বিনোদন মিস করতাম।

0 মন্তব্যসমূহ